নারীদের জন্য প্রধান আত্মরক্ষার নয় টি পদ্ধতি
নারীদের জন্য প্রধান আত্মরক্ষার পদ্ধতি নিচে স্টেপ বাই স্টেপ দেওয়া হলো:-
ধাপ ১: দুর্বল স্থানের দিকে লক্ষ্য করুন
আপনি যদি আক্রান্ত হন, প্রথমে হামলাকারীর চোখ, নাক, গলা, সোলার প্লেক্সাস (পেটের পিট), কনুই, কবজি ও কুচের দিকে আঘাত করার চেষ্টা করুন। এসব স্থানে আঘাত সবচেয়ে বেশি কার্যকর .
ধাপ ২: হ্যামার স্ট্রাইক (চাবি দিয়ে আঘাত)
রাতে বাইরে থাকলে চাবি হাতে রাখুন এবং হামলাকারীর মাথা, হাত বা গলায় হ্যামার আঘাত করুন। চাবি সঠিকভাবে ধরে আঘাত করুন, যেন ক্ষতি করতে পারে .
ধাপ ৩: কনুই দিয়ে আঘাত
যদি কেউ কাছে এসে ধরে, কনুই দিয়ে হামলাকারীর চোয়াল, মুখ বা গলায় আঘাত করুন। দাঁড়িয়ে থেকে বা সাইড থেকে কনুই ব্যবহার করতে পারেন .
ধাপ ৪: গলার দিকে আঘাত
হামলাকারী গলা ধরে রাখতে চাইলে, হাত দিয়ে বা কনুই দিয়ে গলাকে আঘাত করুন। জরুরি সময়ে গলা বা থ্রোটে জোরে চাপ দিন—এটি হামলাকারীকে অবচেতন করে দিতে পারে .
ধাপ ৫: গ্রয়েন কিক (কুচে/পেটের নিচে লাথি)
যদি সামনে থেকে আক্রমণ আসে, তাহলে পা বা হাঁটু দিয়ে হামলাকারীর কুচে (groin) বা তলার অংশে জোরে লাথি দিন। এতে হামলাকারী অসুস্থ হয়ে পড়বে ও আপনি পালানোর সুযোগ পাবেন .
ধাপ ৬: চোখে আঙ্গুল দিয়ে আঘাত
ধাপ ৭: কবজি মডিয়ে মুক্ত হওয়ার কৌশল
কেউ হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে চাইলে, চটজলদি কবজি মোড়াতে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করুন—কবজি বা হাত ঘুরিয়ে মুক্তি পেতে পারেন .
ধাপ ৮: নীচে নেমে মুক্তি (ড্রপ লো)
কেউ পেছন থেকে ধরে রাখলে, শরীরের ভার নীচে নামিয়ে ফেলুন—এতে আক্রমণকারী ভারসাম্য হারাবে, তখন আপনি পালাতে পারেন .
ধাপ ৯: সাহায্যের জন্য জোরে চিৎকার দিন
আত্মরক্ষার শেষ অস্ত্র: জোরে চিৎকার দিন, আশেপাশের সবাইকে সতর্ক করুন—এতে হামলাকারী ভয় পেয়ে পালাতে পারে .
আক্রমণকারী খুব কাছে এলে, চোখে আঙুল দিয়ে আঘাত করুন বা চোখে হাত ঢুকিয়ে দিন—এতে সে পিছু হটবে .
LADY SHERNI DEFENCE ACADEMY
